অতি বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে অসম ও ত্রিপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে লোয়াইরপোয়া এলাকার জাতীয় সড়কের অবস্থা এতটাই শোচনীয় হয়ে উঠেছে যে, সেটি কার্যত ‘মরণফাঁদ’-এ পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে এই পথ দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন যাত্রী, চালক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার দুপুরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়, যখন একটি ১৬ চাকার ভারী ট্রাক কাদাময় সড়কে আটকে পড়ে। এর জেরে মুহূর্তের মধ্যে সড়কের দুই প্রান্তে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। প্রায় ২০০-রও বেশি যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে, চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন যে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সড়ক নির্মাণ সংস্থার কোনও দায়িত্বশীল প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ ও যানচালকরা। জানা গেছে, ভারতমালা প্রকল্পের কাজের জন্য আসামের লোয়াইরপোয়া–হাতিখিরা ২০ নম্বর বাইপাস আপাতত বন্ধ রয়েছে। ফলে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে লোয়াইরপোয়া বাজারের সরু ও দুর্বল রাস্তা, যা ভারী যানবাহনের চাপে দ্রুত বেহাল হয়ে পড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা দ্রুত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্মাণ সংস্থা। তবে বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির কোনও বাস্তবায়ন দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। বরং সমস্যার সমাধানে গাফিলতির অভিযোগই ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি মিলবে? আটকে পড়া যানবাহন কীভাবে উদ্ধার হবে? এবং কবে স্বাভাবিক হবে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যাতায়াত?