ধর্মনগরে বিজেপি কাউন্সিলর ও যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি রাহুল কিশোর রায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। মঙ্গলবার সকালে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হতেই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয় চাঞ্চল্য, যা দ্রুত রাজনৈতিক রূপ নেয়।
পরিবারের অভিযোগ, এটি কোনো আত্মহত্যা নয়—বরং দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক নিপীড়ন, অপমান এবং প্রাণনাশের হুমকির জেরেই এই মৃত্যু। মৃতের পরিবারের দাবি, সোমবার দুপুর থেকে একদল দুষ্কৃতী বারবার বাড়িতে গিয়ে হেনস্থা করে এবং গভীর রাতে ফের হুমকি দেয়।
সেই চাপ সহ্য করতে না পেরেই রাহুল চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ।ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ধর্মনগরের চন্দ্রপুর এলাকায় রাস্তায় নামে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে শুরু হয় পথ অবরোধ। বিক্ষোভে অংশ নেন পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন, একাধিক জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ।
এদিন আন্দোলনের জেরে এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে এবং ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পুলিশ বাহিনী। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ আরও বাড়ছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে।
এই ঘটনাকে ঘিরে এখন শুধু একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং রাজনৈতিক চাপানউতোর, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন।