দক্ষিণ ত্রিপুরার সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত ইন্দিরানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যপাড়া এলাকায় জলের অভাবে প্রায় ১৫০ কানি কৃষিজমি দীর্ঘদিন ধরে অচাষযোগ্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, এলাকায় LI স্কিম থাকলেও তা কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছে, ফলে সেচের অভাবে চাষাবাদ সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে।কৃষকদের আরও দাবি, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই এই সেচ প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে না। ফলে একদিকে যেমন জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে, অন্যদিকে জীবিকা সংকটে পড়ছেন বহু কৃষক পরিবার।জানা গেছে, একই অঞ্চলে নদীভাঙনের প্রকোপও বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ধার ভেঙে ইতিমধ্যেই বহু কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তবুও প্রশাসনের তরফে এখনো পর্যন্ত কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সারা ভারত কৃষক সভা-র সোনামুড়া মহকুমা কমিটির একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলটি চাষিদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন এবং বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনার আশ্বাস দেন।এই পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সম্পাদক কমরেড সুরেশ দাস, মহকুমা সম্পাদক কমরেড আব্দুল করিম, সভাপতি কমরেড রতন দাস, সহ-সম্পাদক কমরেড মিজান মিঞা, মহকুমা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড আবুল কাসেম, অভিরাম দত্ত, কমরেড হাছিনা বেগম, কমরেড সত্যব্রত মজুমদার এবং পার্টির মেলাঘর পশ্চিম অঞ্চল সম্পাদক কমরেড ভোলা ভৌমিকসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্রুত সেচব্যবস্থা সচল করা এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে।