এডিসি নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী একদিকে জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানান, অন্যদিকে ফলাফলের পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।
তিনি স্বীকার করেন, এবারের নির্বাচনে পাহাড়ি অঞ্চলে সিপিআই(এম) কোনও আসন জিততে পারেনি। তবে তাঁর দাবি, গত পাঁচ বছরে তিপ্রা মথার তেমন উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক সাফল্য না থাকলেও, আবেগের রাজনীতিকে সামনে রেখে তারা এই ফলাফল অর্জন করেছে।
জিতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগ, এই আবেগঘন পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, তিপ্রা মথার পূর্ববর্তী ব্যর্থতা এবং এডিসির বিভিন্ন অনিয়ম আড়াল করেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।
তবে তিনি এটাও স্পষ্ট করেন যে, ফলাফল জোর করে আদায় করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তিনি তুলতে চান না। একই সঙ্গে তিপ্রা মথার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, দলটির সুসংহত দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির অভাব রয়েছে এবং ব্যক্তি নির্ভর রাজনীতির উপরই তারা বেশি নির্ভরশীল।
গণমুক্তি পরিষদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে আবেগ ও অর্থের প্রভাব অনেক ক্ষেত্রে আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে আড়াল করে দিচ্ছে। দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও সেই প্রবণতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।