উপনির্বাচনের আবহে ৫৬-ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্র এখন রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রচারের তীব্রতা বাড়াচ্ছে বিজেপি। জয়ের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ ও যুব নেতৃত্ব।
শুক্রবার বিজেপি প্রার্থী জহর চক্রবর্তীর সমর্থনে এক বিস্তৃত জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজ্য বিজেপি নেত্রী বর্ণালী গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যুব নেতা সম্রাট সহ একাধিক দলীয় কর্মী ও সমর্থক।সকালের শুরু থেকেই ধর্মনগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রচার চালানো হয়।
প্রচারের কৌশলেও ছিল ভিন্নতা—মাইকিংয়ের পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন নেতারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সমস্যা, চাহিদা ও মতামত গুরুত্ব দিয়ে শোনার চেষ্টা করতে দেখা যায় বিজেপি নেতৃত্বকে।
এই কর্মসূচিতে যুব নেতা সম্রাটের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। তিনি বিশেষভাবে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে কেন্দ্র ও রাজ্যের ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরেন।
তাঁর দাবি, যুব সমাজের মধ্যে বিজেপির প্রতি সমর্থন ক্রমশ বাড়ছে।প্রচারের মাঝেই বর্ণালী গোস্বামী বলেন, “মানুষের সাড়া অত্যন্ত ইতিবাচক। আমরা যেখানেই যাচ্ছি, জহর চক্রবর্তীর পক্ষেই সমর্থন দেখা যাচ্ছে। এতে স্পষ্ট, উন্নয়নের পক্ষে মানুষ রায় দিতে প্রস্তুত।”তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধীদের অবস্থান এই কেন্দ্রে দুর্বল এবং নির্বাচনে তাদের বড় ধাক্কা লাগতে পারে।
বিরোধী জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জোট হোক বা না হোক, বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক অটুট রয়েছে। ভোটাররা ইতিমধ্যেই নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।”
সব মিলিয়ে, ধর্মনগরের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক লড়াই ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এখন দেখার, বিজেপির এই আত্মবিশ্বাস ভোটের ফলাফলে কতটা প্রতিফলিত হয়।