ভারতীয় জনতা পার্টির দ্বাদশ জাতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন নীতিন নবীন। মঙ্গলবার তাঁর নাম ঘোষণার পরদিন, বুধবার সকালেই দিল্লির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি ডেকে পাঠান প্রথম উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত বৈঠক।
জেপি নাড্ডার পর দলটির সর্বোচ্চ সংগঠন-পদে আসীন হয়ে বিজেপির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে নজির গড়লেন তিনি।সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা দীর্ঘ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেশের সব রাজ্যের প্রদেশ সভাপতি ও সংগঠন মন্ত্রীরা।
সংগঠনের শীর্ষসারির নেতা বিএল সন্তোষও অংশ নেন বৈঠকে। পাঁচ রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ব্লু-প্রিন্ট এই বৈঠকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বক্তব্যে নীতিন নবীন বলেন, “আমাদের কাছে রাজনীতি ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতা নয়—এটি একপ্রকার সাধনা।”
তাঁর দাবি, বিজেপিকে বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছেন দলের আদর্শ ও কর্মীদের পরিশ্রম।নতুন সভাপতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আজ থেকে নীতিন নবীনই আমার বস, আর আমি তাঁর একজন সাধারণ কর্মী।
মোদীর এমন মন্তব্যে দলের অভ্যন্তরে নীতিনের গুরুত্ব আরও একধাপ বাড়ল। গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫-এ কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর, এবার পূর্ণকালীন সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নতুন যুগের সূচনা করলেন নীতিন নবীন।