দেশের আকাশপথে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের ধারাবাহিক ফ্লাইট বাতিলকে কেন্দ্র করে। গত দুই দিনে সংস্থার ৫০০-রও বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় একাধিক বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনার চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে হতাশা, ক্ষোভ এবং অনিশ্চয়তায় দিন কাটাতে হচ্ছে হাজার হাজার যাত্রীকে।
ত্রিপুরার আগরতলার এমবিবি বিমানবন্দরেও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়। শুক্রবার আগরতলা–কলকাতা রুটের বেশ কয়েকটি ফ্লাইট আকস্মিকভাবে বাতিল হয়ে যায়। এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েন বহু যাত্রী। এক যাত্রী জানান, কলকাতায় তাঁর মেয়ের বিয়ের পর বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুপুরের বিমানের টিকিট কাটা ছিল।
অনলাইনে ফ্লাইট স্ট্যাটাস ‘অন টাইম’ দেখালেও বিমানবন্দরে পৌঁছে তাঁদের জানানো হয়—ফ্লাইট বাতিল। পরবর্তী ফ্লাইটে ব্যবস্থা হবে কিনা, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্যও দেয়নি এয়ারলাইন্স।
ফ্লাইট বাতিলের প্রভাব শুধু রাজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরেও একই ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ—বিকল্প ব্যবস্থা, রিফান্ড বা পুনরায় বুকিং সংক্রান্ত সহায়তা তেমনভাবে দিচ্ছে না সংস্থা।
এই পরিস্থিতি আজ সংসদেও প্রতিধ্বনি তোলে। বিরোধী দলগুলি অভিযোগ করে, বিমান চলাচল ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অব্যবস্থাপনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারই দায়ী। হঠাৎ এভাবে বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিলের নেপথ্যে কী কারণ—তা পরিষ্কারভাবে জানানো হয়নি বলেই দাবি তাঁদের।