ধর্মনগর উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক ভিন্নধর্মী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের ছবি উঠে এল এদিন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী শুরু হয়েছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া, যেখানে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক এবং শারীরিকভাবে বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।নির্বাচন দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, ৩১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া চলবে ১ এবং ২ এপ্রিল পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ভোটকর্মীরা প্রতিটি নির্দিষ্ট ভোটারের বাড়িতে পৌঁছে তাদের ভোট গ্রহণ করছেন। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হল, শারীরিক অসুবিধা বা বার্ধক্যের কারণে যাতে কোনও ভোটার তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত না হন।সেক্টর অফিসার ড. প্রসুন দত্ত জানান, তার অধীনে থাকা সেক্টর নম্বর ৫-এ মোট ২৭ জন প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার রয়েছেন। ইতিমধ্যেই ৫৬/২৮ এবং ৫৬/২৯ নম্বর পোলিং স্টেশনের অন্তর্গত ১৭ জন ভোটারের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ৫৬/২৭ নম্বর পোলিং স্টেশনের আওতাধীন ভোটারদের ভোট গ্রহণের কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে।প্রশাসনের দাবি, পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধি মেনে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে এবং নিরাপত্তার বিষয়েও রাখা হচ্ছে কড়া নজর। এতে করে ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, বাড়িতে বসেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে খুশি প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটাররা। অনেকেই এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, এই ব্যবস্থার ফলে ভোটদানের ক্ষেত্রে আগ্রহ আরও বাড়বে এবং গণতন্ত্রের মূল চেতনাও শক্তিশালী হবে।সামগ্রিকভাবে, ধর্মনগরের এই বাড়ি বাড়ি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুধু একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গড়ে তোলার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।