ত্রিপুরা–বাংলাদেশ সীমান্তে সম্প্রতি আশঙ্কা ও উদ্বেগ বেড়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার অধিবাসীরা। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সোশ্যাল মিডিয়া ও অনানুষ্ঠানিক সূত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ায় পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বাংলাদেশের একটি সীমান্ত জেলা থেকে দুই ব্যক্তিকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে, যা জনমনে আতঙ্ক বাড়িয়েছে।সীমান্ত এলাকার সাংবাদিকরা জানান, এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ—তিনি অতীতে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে কথিত তথ্য ছড়াচ্ছে।
অনেকে দাবি করছেন, ওই ব্যক্তি নাকি যুবকদের ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের কোনোটিই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।অন্যদিকে আরেক ব্যক্তিকে নিয়ে প্রচার হচ্ছে, তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক মহলে আলোচনা চলছে যে ব্যক্তিটি নাকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু অংশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। ফলে তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুললেও আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনক তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এসব পরিস্থিতির কারণে সীমান্তে যে কোনো সময় অঘটনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তাই তাঁরা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
ত্রিপুরা–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগ ও গুজবের ফলে বর্তমানে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্র থেকে আসা তথ্য স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ালেও সরকারি বা নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এখনো কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়নি। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—উভয় দেশের প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বাস্তবতা যাচাই করবে এবং অঞ্চলে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।