থার গাড়ি থেকে ব্রাউন সুগার ও নিষিদ্ধনাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ল নেশা চক্র, সাবানের কেসে লুকানো ব্রাউন সুগার উদ্ধার কফ সিরাপ উদ্ধার, তিন পাচারকারী আটকত্রিপুরায় নেশা বিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ। নিয়মিত নাকা চেকিং চলাকালীন পুলিশের তৎপরতায় বিপুল পরিমাণ ব্রাউন সুগার ও নিষিদ্ধ কফ সিরাপ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনায় আটক করা হয়েছে তিনজন সন্দেহভাজন পাচারকারীকে।শনিবার আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়কের ৪১ মাইল নাকা পয়েন্টে পুলিশের চেকিং চলছিল। সেই সময় থানার ওসি সনের দেববর্মার কাছে একটি গোপন সূত্রে খবর আসে, একটি নম্বরবিহীন বিলাসবহুল ‘থার’ গাড়িতে করে নেশা সামগ্রী পাচার করা হচ্ছে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটিকে আটক করে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।তল্লাশির সময় গাড়ির ভেতর থেকে সাতটি সাবানের কেসে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়। পাশাপাশি উদ্ধার হয় কিছু পরিমাণ নিষিদ্ধ কফ সিরাপও। ঘটনাস্থল থেকেই গাড়িতে থাকা তিনজনকে আটক করা হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহন কিসান, আইপিএস এবং ডি.সি.এম সন্দ্বীপ দেববর্মা। তাঁরা পুরো অভিযান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহন কিসান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে মেঘালয় থেকে ত্রিপুরায় এই নেশা সামগ্রী আনা হচ্ছিল। এর পেছনে একটি বড় পাচারচক্র জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুরো ঘটনার গভীর তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যে নেশা পাচার রুখতে আগামী দিনেও নাকা চেকিং ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।মুঙ্গিয়াকামি থানার এই সাফল্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।