দেশের একতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ঐতিহাসিক অবদানকে স্মরণ করতে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে—এ কথা জানালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।সোমবার আগরতলার সার্কিট হাউজ সংলগ্ন গান্ধী মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হওয়া সর্দার ১৫০ ইউনিটি মার্চ-এ অংশগ্রহণ করে তিনি এই মন্তব্য করেন।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সর্দার প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিটি রাজ্যেই তাঁর অবদানকে স্মরণ করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের ঐক্য রক্ষার জন্য তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা আজও অনুপ্রেরণা—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৪৭ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যগুলিকে একত্রিত করতে সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি আরও জানান, এই উপলক্ষে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচিও আয়োজিত হচ্ছে। আগামীকাল তিনি গুজরাটে গিয়ে পদযাত্রায় অংশ নেবেন। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সেই পদযাত্রায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যুব সমাজের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা—দেশ গঠনে সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া জরুরি।দেশের ঐক্য বিনষ্ট করার কোনোরকম ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সরকার সজাগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।ত্রিপুরায় কর্মসংস্থান প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে ইতোমধ্যে ২০,০০০-এরও বেশি চাকরি প্রদান করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের কার্যবাহী সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, পদ্মশ্রী দীপা কর্মকার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পি. কে. চক্রবর্তী, পশ্চিম জেলার জেলাশাসক বিশাল কুমার, পুলিশ সুপার নমিত পাঠক এবং দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।