ধলাই জেলার শান্তিরবাজার এলাকায় সাম্প্রতিক অশান্তির পর সার্বিক ব্যবসায়িক ক্ষতি নিয়ে সরব হল বিরোধী শিবির। বৃহস্পতিবার এলাকা পরিদর্শনে এসে বিরোধী দলনেতা ও সিপিআই(এম) পলিটবিউরো সদস্য জিতেন্দ্র চৌধুরী অভিযোগ করেন— সরকারের উদাসীনতা এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
২৩ অক্টোবর তিপরা সিভিল সোসাইটির ডাকা বনধ ঘিরে শান্তিরবাজারে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, বনধ সমর্থকরা একাধিক দোকানে ভাঙচুর চালায়, মারধর করে এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন বহু জনজাতি ও অনাজাতি সম্প্রদায়ের সাধারণ ব্যবসায়ী।
এদিন জিতেন্দ্র চৌধুরীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুধন দাস, রতন দাস, রাধাচরণ দেববর্মা, অঞ্জন দাসসহ সিপিআই(এম)-এর রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী নেতা অভিযোগ করেন—
“বন্ধের আড়ালে তিপরা মথা ও বিজেপি মিলিতভাবে জাতিগত বিভেদের রাজনীতি উসকে দিতে চাইছিল। প্রশাসন প্রথম থেকেই নীরব থেকেছে। আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কোনো সক্রিয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, বরং একপ্রকার默সমর্থনই দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, সরকারের দেওয়া ক্ষতিপূরণ দিয়ে ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব নয়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আরও আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করতে রাজ্য সরকারের প্রতি পুনরায় দাবি জানান তিনি।