কেন্দ্রীয় সরকারের ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেটকে ‘ঐতিহাসিক ও জনমুখী’ বলে আখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় নগর ও আরবান বিষয়ক মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী তোখান সাহু। মঙ্গলবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, এই বাজেট দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তুলে ধরেছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে আত্মনির্ভর ভারত গঠনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুব সমাজের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন সম্ভাবনা তৈরির দিকেও নজর রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের উপর জোর দিয়ে ভারতকে বিশ্ব দরবারে আরও শক্তিশালী করে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। গত ১২ বছরে দেশের অর্থনীতির অগ্রগতির প্রতিফলন এবারের বাজেটে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সরকারের তুলনায় বর্তমান সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় বাজেটের আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
আধ্যাত্মিক পর্যটন ক্ষেত্রেও একাধিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সাহু জানান, বৌদ্ধ সার্কিট গঠনের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে গতি আসবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘উত্তর-পূর্বকে উন্নয়নের ইঞ্জিন’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এবারের বাজেটে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে প্রায় ১১,৪৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনের শেষে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, মোদী সরকারের জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপের ফলে ত্রিপুরাসহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনৈতিক ভিত আরও শক্তিশালী হবে।